নিজস্ব প্রতিনিধি : দেশের করপোরেট ও ব্যাংকিং জগতের পরিচিত মুখ সাহিদ রেজা শিমুল। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও রেজা গ্রুপ অব ইন্ড্রাট্রিজ’র চেয়ারম্যান। সম্প্রতি তাঁর নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন বিশেষণ—লেখক। লিখেছেন তাঁর মায়ের জীবনী অবলম্বনে প্রথম লেখা গ্রন্থ— ‘রাণী।’
প্রায় ৮০ পৃষ্ঠার বইটি বের হয়েছে ঢাকার ‘দ্যু প্রকাশনী’ থেকে। প্রচ্ছদ করেছেন আবদুল হালিম মন্টু। প্রকাশনী ছাড়াও পাওয়া যাচ্ছে অনলাইন বইবিক্রয় ওয়েবসাইট রকমারিতে।
‘রাণী’ নিয়ে লেখক সাহিদ রেজা বলেন, ‘মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসা আদি অকৃত্রিম চিরন্তন। আত্মজের সাথে সম্পর্ক পৃথিবীর সেরা সম্পর্ক। সন্তানের চোখে মা সব সময়ই অসাধারণ। যিনি সবকিছু ছাপিয়ে, সকলকে ছাড়িয়ে উঠে যান অন্যরকম উচ্চতায়। তেমনই এক সাধারণ মায়ের লড়াই সংগ্রাম ও আবেগের শব্দরূপ ধারণ করে যিনি হয়ে উঠেন অসাধারণ অতুলনীয়।’
লেখক বলেন, ‘আমি লেখক যশপ্রার্থী নই তবুও আমার সন্তানদের জন্য দাদীর গল্প গ্রান্ড মম’স স্টোরি বলতে চেয়েছি। পাঠক হয়ত আবিস্কার করবেন —এতো আমার মায়েরই গল্প।
লেখক সম্পর্কে জানা যায়, সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে কৈশোর থেকে তারুণ্যে প্রবেশ। যৌবনে স্বৈরাচারবিরোধী ও মৌলবাদবিরোধী আন্দোলন এবং ভোটের অধিকারের দাবিতে রাজপথের মিছিল—লড়াই—সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ। ‘কর্পোরেট গভর্নেন্স ইন ব্যাংকিং সেক্টর উইথ স্পেশাল রেফারেন্স টু প্রাইভেট কমার্শিয়াল ব্যাংকস ইন বাংলাদেশ’ বিষয়ে গবেষণার জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জন করেছেন পিএইচডি ডিগ্রি। পেশায় ব্যবসায়ী, শিল্পতি ও বিনিয়োগকারী হলেও আগ্রহ জ্ঞাননির্ভর সমাজ সুশাসন ও সমাজকল্যাণে।
তরুণ বয়স থেকে সাহিত্য—সংষ্কৃতির প্রতি ছিল প্রচণ্ড ঝোঁক লেখকের। সেই আগ্রহ থেকেই শিক্ষা সাহিত্য ও সংষ্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন তিনি। যেখানে তিনি গিয়েছেন, সেখানে একটি লাইব্রেরি হলেও প্রতিষ্ঠা করেছেন। ঢাকার শহরের নাখালপাড়ায় ‘শহীদ স্মৃতি পাঠাগার’টি গত ৩০ বছর ধরে তিনি পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছেন। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাকালীন তিনি বই পড়ার জন্য আলাদা একটি প্রজেক্ট হাতে নিয়েছিলেন। কর্মীদের বই বড়তে উদ্বুদ্ধ করেছেন। জন্মশহর ফেনীতেও অনেকেগুলো পাঠাগার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন।









