নিজস্ব প্রতিনিধি : নির্মাণ শ্রমিক ইয়াছিনকে খুন করা হয় ফেনী শহরের বনানীপাড়ায়। এরপর লাশ গুম করতে মাটি চাপা দেয়া হয় ভারত সীমান্তবর্তী পরশুরামের রাঙ্গামাটিয়া এলাকায়। কষ্টি পাথর ও পেশাগত কাজের কতৃর্ত্ব নিয়েই খুন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার খোন্দকার নূরুন্নবী।
১০ মে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, রবিবার বাংলাদেশ—ভারত সীমান্ত পিলার নং—২১৫—১২—এস এর ৫০ গজ অভ্যন্তরে মাটির নিচ থেকে বিজিবি—বিএসএফ’র সহযোগিতায় ইয়াছিনের লাশ উদ্ধার করে আইনশৃংখলা বাহিনী। নিহত ইয়াছিন পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের মধ্যম রাঙ্গামাটিয়া এলাকার হাসান আহমেদের ছেলে। দীর্ঘদিন থেকে কষ্টিপাথর ও পেশাগত কিছু বিষয় নিয়ে ইয়াছিনের সাথে একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে মো. সেলিম (৩৩) এর সাথে বিরোধ চলে আসছিলো। বিরোধের জের ধরে ১৩ এপ্রিল শাহনাজ নামের এক মহিলাকে দিয়ে ফেনী শহরের বনানী পাড়ায় একটি বাসায় ডেকে এনে ৫/৬ জনে মিলে তাকে হত্যা করে। পরে লাশগুম করার জন্য সিএনজি চালক জামালকে নিয়ে বাংলাদেশ—ভারত সীমান্ত পিলার নং—২১৫—১২—এস এর ৫০ গজ অভ্যন্তরে মাটি চাপা দেয়া হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) রবিউল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো: আতোয়ার রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) খালেদ হোসেন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি এনএম নূরুজ্জামান, পরশুরাম মডেল থানার ওসি মো: শওকত হোসেন প্রমুখ ।
পুলিশ সুপার আরো জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করার পর বিষয়টি ফেনীর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেলিমকে আটকের পর ঘটনার জট খুলতে থাকে। একপর্যায়ে তার দেখানো মতে সীমান্ত এলাকা থেকে রবিবার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পরশুরাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরীন আক্তারের উপস্থিতিতে ইয়াছিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ইয়াছিনের ভাই রবিবার পরশুরাম মডেল থানায় বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় গ্রেফতার সেলিম ছাড়াও এমাম হোসেন, মোশাররফ হোসেন, কুসুম, শাহনাজ ও সিএনজি চালক জামালকে আসামী করা হয়েছে।









