এম. এমরান পাটোয়ারী : ফেনীতে ভেটেরিনারী চিকিৎসকদের মত বিনিময় সভা ০৪ ডিসেম্বর বুধবার রাতে সিজলার চাইনিজ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা ভেটেরিনারী চিকিৎসক এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা: মো: কপিল উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: মোজাম্মেল হক।
জাপফা কমফিড বাংলাদেশ লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ অফিসার ডা: জুবায়ের হাসনাত ও ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন ফেনীর এরিয়া অফিসের সেলস ম্যানেজার ডা: তাসলিমা বেগম এর যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা ভেটেরিনারি অফিসার ডা: ফারুক আহমেদ, ফেনী সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: শহীদুল ইসলাম খোকন, পরশুরাম উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: হরি কমল মজুমদার, দাগনভূঁঞা উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকতা ডা. সুজন কান্তি, সোনাগাজী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকতা ডা: নেবুলাল দত্ত।
এ সময় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন নির্বাহী পরিচালক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক ফয়েজ আহমেদ, ফেনী জেলা পোল্ট্রি এসোসিয়েশনের সভাপতি মো: কামরুল ইসলাম, ভেট এক্সিকিউটিভস এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক ডা. জিয়া উদ্দিন ইব্রাহীম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহীম, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস এর রিজওনাল সেলস ম্যানেজার মো. মেহেদী হাসান, একমি
ফার্মাসিউটিক্যালস এর রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মো. আবদুল হালিম ও রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস এর রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার অর্পন কুমার মোহন্ত ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি’র ফিল্ড ম্যানেজার মো. আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, সরকার প্রাণীসম্পদ চিকিৎসকদের জেলা উপজেলায় সীমাবদ্ধ রেখেছে, আমরা মনে করি প্রাণীসম্পদ চিকিৎসকদের ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া জরুরি। তা হলে এ সেক্টরে আরো উন্নতি লাভ করবে। এছাড়াও বন্যায় ফেনীতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকৃত খামারিদের সরকারী ও বেসরকারী অনুদানের ব্যবস্থা করা। বতর্মানে খাদ্য ও ঔষুধের মূল্য কমানোর মাধ্যমে ভোক্তাদের মাঝে সহনীয় মূল্যে ডিম সরবরাহের ব্যবস্থা করা।
প্রধান অতিথি জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: মোজাম্মেল হক বলেন ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিকতার কারনে প্রাণীজ আমিষ পূরনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি বন্যায় ফেনীর সব উপজেলায় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এ সেক্টরকে টিকিয়ে রাখতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ভাবে অতীতের চেয়ে বর্তমান সময়ে প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত পরিমানে ভেটেরিনারি চিকিৎসক রয়েছে। প্রতিদিন আমাদের প্রচুর ডিম প্রয়োজন, এখন প্রচুর চাহিদাও বেড়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে খামার পরিচালনা করলে ঝুঁকি কম থাকবে। সাধারণ সমস্যায় পশু পাখিকে হাই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। আমদানি কমিয়ে উৎপাদন বাড়াতে হবে।









