নিজস্ব প্রতিনিধি : দাগনভূঞা উপজেলা সিন্দুরপুর ইউনিয়ন নোয়াদ্দা গ্রামে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক দিদার হোসেনের নেতৃত্বে চাঁদা দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয় মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে অভিযোগ করেন একই বাড়ীর বাসিন্দা মৃত: এম এ রশীদের ছেলে মিজানুর রহমান মানিক। উক্ত ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মিজানুর রহমান মানিকের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামে জায়গা নিয়ে দিদার হোসেন ও তার চাচাদের সাথে এক বাড়ীর মিজানুর রহমান মানিক গংদের সাথে জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল।
বিগত ২০২২ সালে স্থানীয় চেয়ারম্যান, এড. শাহজাহান সাজু ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের উদোগে উক্ত বিরোধ মিমাংসা করা হয়। ঐ সময় সালিশ দারদের অনুরোধে বাদী মিজানুর রহমান মানিক গং বিবাদী মো: দিদার হোসেন গংদের প্রায় দুই ডিসিম জায়গা ছেড়ে দেয়। এ ছাড়াও দিদারের চাচত ভাই শিমুলের দায়ের করা ফৌজদারি মামলা বিগত ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর তারিখে নিষ্পত্তি হয়। এছাড়াও মীমাংসিত সম্পত্তির মধ্যে শিমুল গংরা ঘরও নির্মাণ করেন।
সম্প্রতি ঐ জায়গায় চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখে মিজানুর রহমান মানিক গংরা সীমানা প্রাচীর করতে গেলে দিদার হোসেনের নেতৃত্ব এ দল সন্ত্রাসী উক্ত সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলে এবং চাঁদা দাবী করে। এসময় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ঐ সীমানা প্রাচীর পুনরায় নির্মান করা হয়। তখন পুনরায় দিদার হোসেন আবারও বাদী মিজানুর রহমান মানিক গংদের নিকট চাঁদা দাবী করেন এবং রাতের আদারে আবার উক্ত সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলে। উক্ত ঘটনায় এলাকায় জনসাধরনের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ দিকে বিভিন্ন সূত্রে জানাযায়, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময় যুবদল নেতা দিদার হোসেন এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠে। তার নেতৃত্বে সিন্দুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে বিভিন্ন মামলার আসামি করবে বলে হুমকি- ধমকি দিয়ে তাদের কাছে চাঁদাদাবী ও তাদের উপর একাধিকবার দিদার হোসেনের নেতৃত্ব হামলা হয়। ইতি পূর্বে ব্যাপক সালিশ বানিজ্য ও সাধারণ মানুষের উপর ভয় বীতি প্রদর্শন করে আসছে বলে নানা অভিযোগ রয়েছে।
এ দিকে ভুক্তভোগী সূত্রে জানাযায়, যুবদল নেতা দিদার হোসেন কর্তৃক সিন্দরপুর ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের রশিদ মিয়ার বাড়ির মিজানুর রহমান মানিক গংদের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলার বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক দিদার হোসেন সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “মিজানুর রহমান মানিক গংরা আমাদের ৯ শতাংশ জায়গা খতিয়ানে বেশী রেকর্ড করেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সালিশদাররা তাদেরকে ৯ শতাংশ জায়গা কেন বেশী খতিয়ান/ রেকর্ড করেছে তার জবাব ছেয়েছে। তিনি আরও জানান, আমি কোন সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করি নাই, শুধু কাজ বন্ধ রাখতে বলছি।”
দাগনভূঞা থানার আওতাধীন কোরাইসমুন্সী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোতালেব হোসেন কাছে এই বিষয়ে চাইলে তিনি জানান, আমার কাছে এখনো কনো অভিযোগ পাইনি, পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিব।









