স্টাফ রিপোর্টার>>>>মুক্তিযুদ্ধের সাব- সেক্টর কমান্ডার ও সাবেক মন্ত্রী লে. কর্নেল (অব:) জাফর ইমাম বীর বিক্রম বলেছেন, যারা জাতির পিতাকে অস্বীকার করেন তাদের চিহ্নিত করতে হবে। তাদের ভোটাধিকার বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। ৬ ডিসেম্বর বুধবার ফেনী জেলা শিল্পকলা একাডেমী শিলনায়তনে ও শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে ফেনী মুক্ত দিবসে শপথ বাক্য পাঠ করানো পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাইয়ের নামে কোন ধরণের প্রহসন মেনে নেয়া হবে না। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিয়ে আসছেন। পর্যায়ক্রমে সঠিক যাচাই-বাচাইয়ের মাধ্যমে সকল মুক্তিযোদ্ধাকে প্রাপ্য সম্মান দেয়া হবে। জাফর ইমাম বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধু কন্যাকে এ বিষয়ে অবহিত করেছি। প্রয়োজনে যাচাই-বাচাইকারীদের বাচাই করা হবে।
সাবেক মন্ত্রী আরো বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের মন্ত্র। এ ভাষণের মাধ্যমে তিনি যার যা কিছু আছে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হবে। স্বাধীনতাকে আমাদের কেউ এমনি এমনি দিয়ে দেয়নি। অনেক দাম দিয়ে কিনেছি আমাদের এ স্বাধীনাতা। আজকে যারা পতাকা হাতে এখানে সমবেত হয়েছে তাদের এ পতাকার ইতিহাস জানতে হবে।
ফেনী জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর আবদুল হান্নান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন চৌধুরী নাসিম, মহিলা সংসদ সদস্য জাহান আরা বেগম সুরমা, অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক দেবময় দেওয়ান, পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার, জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবদুর রহমান বিকম, মার্কেন্টাইল ব্যাংক’র পরিচালক আক্রাম হোসেন হুমায়ুন, ফেনী পৌরসভার মেয়র হাজী আলাউদ্দিন, সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জেড.এম কামরুল আনাম, ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল, ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল আলীম, সিভিল সার্জন ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীরসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার হাজারো মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘উড়াই বিজয় নিশান’ শ্লোগানে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে উৎসব উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধের সাব-সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল (অব:) জাফর ইমাম বীর বিক্রম।
স্টারলাইন গ্রুুপের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা পতাকা হাতে নিয়ে বিজয় উৎসবে অংশ নেয়। উৎসবে উপস্থিত সকলকে শপথ বাক্য পাঠ করান লে. কর্নেল (অব:) জাফর ইমাম বীর বিক্রম। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।









