ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম, লাইফস্টাইল কন্ট্রিবিউটর, সময়ের কণ্ঠস্বর। চুলের সঠিক যত্ন ও পরিচর্যার অভাবে চুল পড়া, চুল শুষ্ক হওয়া এবং খুশকির সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার এগুলোর সাথে দিনরাত চুলের সাথে কিছু ভুলভাল আচরণ করার ফলে এই সমস্যাগুলো আরো বেড়ে যেতে পারে। এখন জানবো কিছু ক্ষতিকর অভ্যাস সম্পর্কে যেগুলো চুলের মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে।
চুলের জন্য ক্ষতিকর কিছু খারাপ অভ্যাস
তেল মাথায় দিয়ে শোয়া: সারারাত তেল লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে চুল ছিড়ে যাওয়া ও ধূলা লাগার সমস্যা হয়। এজন্য গোসলের এক ঘন্টা পূর্বে চুলে তেল লাগাতে পারেন।
তোয়ালে দিয়ে চুল রগড়ানো: ভেজা চুল তোয়ালে দিয়ে অতিরিক্ত রগড়ালে চুল ছিড়তে থাকে। এজন্য প্রথমে চুল বাতাসে শুকাবেন। অতঃপর তোয়ালে দিয়ে আলতোভাবে চুল মুছে নিবেন।
ম্যাসাজ না করা: নিয়মিত স্কাল্প মাসাজ না করলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়। এজন্য নিয়মিত জলপাইয়ের তেল মাথায় লাগিয়ে হালকাভাবে হাত দিয়ে মাসাজ করবেন।
অতিরিক্ত তাপ দেয়া: চুল শুকানোর জন্য অতিরিক্ত তাপ দেয়া হলে চুল নষ্ট হয় এবং চুল পড়ার সমস্যার সৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত তাপ চুলের রংয়ের উপরও খারাপ প্রভাব ফেলে।
সঠিক সময়ে চুল না কাটা: সঠিক সময়ে চুল না কাটলে চুল পাতলা হওয়া এবং চুল ফাটার সমস্যা হয়ে থাকে। এজন্য মেয়েদের প্রতিমাসে একবার এবং ছেলেদের দুইমাসে একবার চুল কাটা উচিৎ।
কন্ডিশনারের ভুল ব্যবহার: চুলে কন্ডিশনার লাগানোর পর কম পানি দিয়ে ধৌত করলে চুল পড়া, খুশকি এবং চুল ফাটার সমস্যা হয়। এ থেকে রক্ষা পেতে চুলে পর্যাপ্ত পানি ঢালবেন।
ভেজা চুল বাঁধা: ভেজা চুল বাঁধলে তা ছিড়ে যায়। জট পাকাতে পারে ও খুশকির সমস্যা হতে পারে।
খাবার সুষম না হওয়া: সুষম খাবার গ্রহণ না করলে চুল ঝরা, শুষ্ক হওয়া এবং ফাটার সমস্যা হয়। এজন্য খাবারে ফলমূল, সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদি অবশ্যই রাখবেন।
প্রতিদিন শ্যাম্পু করা: প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ছিড়ে যায়। অধিকাংশ শ্যাম্পুতে ব্যবহৃত কেমিকেল বা রাসায়নিক উপাদান চুল শুষ্ক করে তোলে।
মেশিনের ভুল ব্যবহার: চুল সোজা বা স্ট্রেইট করার জন্য ব্যবহৃত মেশিনের তাপমাত্রা সঠিক হওয়া জরুরী। তাপমাত্রা সঠিক না হলে চুল নষ্ট হয়, ঝরে যায় ও ফেটে যায়।
জানা হল চুল নষ্ট হওয়ার জন্য কিছু খারাপ অভ্যাস সম্পর্কে। এখন করণীয় হল সুন্দর, ঝলমলে, উজ্জ্বল চুলের জন্য অবশ্যই এগুলো এড়িয়ে চলা।









