নিজস্ব প্রতিনিধি : ফেনীতে চোরাচালান বিরোধী মোটিভেশনাল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে ধর্মপুর টিবি হাসপাতাল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুছাম্মৎ শাহিনা আক্তার।
ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জাকির হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ন রশিদ।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ কে শহীদ উল্লাহ খোন্দকার এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শামছুল আলম, ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সাকা, শর্শদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানে আলম ভূঞা, মাওলানা সৈয়দ আহমদ, মসজিদের ইমাম মাওলানা জাকির হোসেন, শিক্ষার্থী মুমতাহিনা তাহের।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সফিকুর রেদোয়ান আরমান শাকিল, এন এস আই এর উপ-পরিচালক মো. শাহ আরমান আহমেদ, ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
সভায়- মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলাপ্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেন, মাদক প্রতিরোধ করতে প্রশাসন সবসময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মানুষ যদি সচেতন হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ সহজ হয়। মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিষয়ে যদি ইমাম মুয়াজ্জিনরা মসজিদে সচেতন করে তাহলে এটি দমন সম্ভব হবে।পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাসহ শিক্ষকরা যদি ভালো বার্তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারে তবে মাদক থেকে নির্মুল হওয়া সম্ভব।
তিনি বলেন, ফেনীতে প্রতি ইউনিয়নে প্রতিদিন গড়ে ১টি করে ডিভোর্স লেটার ইউনিয়ন কার্যালয়ে যায়। ছেলে মেয়েরা মোবাইলে কি করছে কি দেখছে সে বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার জাকির হাসান বলেন, মাদক ও চোরাচালান দুটিই অপরাধ। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। গুটি কয়েকজন এলাকায় খারাপ থাকে। তাদের জন্য এলাকার বদনাম হয়। এটি প্রতিহত করতে এলাকাবাসীকে উদ্যোগ নিতে হবে। এসব খারাপ ব্যবসায়ীদের ধরিয়ে দিতে হবে।
চোরাচালানের কারনে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সামগ্রিকভাবে প্রতিহত করতে এলাকাবাসীকে দায়িত্ব নিয়ে মাদকব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে রাখতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলাপ্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেন, মাদক প্রতিরোধ করতে প্রশাসন সবসময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মানুষ যদি সচেতন হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ সহজ হয়। মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিষয়ে যদি ইমাম মুয়াজ্জিনরা মসজিদে সচেতন করে তাহলে এটি দমন সম্ভব হবে।পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাসহ শিক্ষকরা যদি ভালো বার্তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারে তবে মাদক থেকে নির্মুল হওয়া সম্ভব।
তিনি বলেন, ফেনীতে প্রতি ইউনিয়নে প্রতিদিন গড়ে ১ টি করে ডিভোর্স লেটার ইউনিয়ন কার্যালয়ে যায়। ছেলে মেয়েরা মোবাইলে কি করছে কি দেখছে সে বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে।









